ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ’লীগের হয়ে উপজেলা নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন গোলাম আযমের আত্মীয়

|

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তৃর্ণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ’র প্রয়াত আমীর গোলাম আযমের নিকট আত্মীয়কে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করায় সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনোনয়ন প্রত্যাশি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস। এসময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ-সম্পাদক কাজী জহির উদ্দিন টিটো, কেন্দ্রীয় উপ কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচএম আল আমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তৃর্ণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমের নিকট আত্মীয় হাবিবুর রহমান স্টিফেনকে দলীয় প্রার্থী করতে মনোনয়ন দিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। নবীনগর উপজেলা নির্বাচন করতে মনোনয়ন ক্র‍য় করেছেন ৮ জন প্রার্থী। দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপজেলার সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিমের প্ররোচনায় ও কৌশলে এই কাজটি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বক্তব্যে আরো বলা হয়, হাবিবুর রহমান সরকার স্টিফেন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় তার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিলো।

গত ২৮ জানুয়ারী নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনজন প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিমের কাঁধে তুলে দেন দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান স্টিফেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা জালাল ও জেলা আ’লীগের সদস্য শাহরিয়ার বাদলের নাম দলীয় মনোনয়নের জন্য কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেন স্থানীয় সাংসদ এবাদুল করিম। সাংসদের কার্যালয় থেকে ওই প্রার্থীদের ফোন করে তাদের জীবন বৃত্তান্তসহ সকল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। তবে হঠাৎ করে সাংসদ এবাদুল করিম দলের একক প্রার্থী হিসেবে হাবিবুর রহমান স্টিফিনের নাম কেন্দ্রে পাঠাতে বলেন।

তবে এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম জানান, হাবিবুর রহমান স্টিফেন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তার তো কোনো কারণ দেখছি না। যেহেতু হাবিবুর রহমান নিজে রাজাকার বা জামায়াতের লোক নন তাই তিনি নৌকা প্রতীক পেলে কোনো সমস্যা নাই।









Leave a reply